বুধবার, ৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪২০; ২২ মে ২০১৩;
পরীক্ষামূলক সম্প্রচারঃ   মুহুর্তের সংবাদ :
রংপুর বেতারে কণ্ঠস্বর পরীক্ষায় স্বজনপ্রীতির শিকার কোমলমতি শিশুরা
রংপুর বেতারে কণ্ঠস্বর পরীক্ষায় স্বজনপ্রীতির শিকার কোমলমতি শিশুরা

১১ মে, রংপুর প্রতিনিধি (প্রেসবাংলা২৪.কম) :: ৬ মে থেকে রংপুর বেতার  কেন্দ্রে সংগীত বিভাগের বিচারক দিয়েই চলছে বিভিন্ন বিভাগের কণ্ঠস্বর পরীক্ষা। এসব বিভাগের মধ্যে রয়েছে সংগীত, নাটক, আবৃত্তি, উপস্থাপনা। তারা রংপুর বেতারেই কর্মরত নিজস্ব শিল্পী। আগে প্রতিটি বিভাগের জন্য আলাদা বিশেষজ্ঞ বিচারক বাইরে থেকে নিয়ে এসে কণ্ঠস্বর পরীক্ষা নেয়া হলেও এবারেই তার ব্যতিক্রম ঘটেছে। অনেকেই এই বিষয়টিকে অর্থনৈতিক ও স্বজনপ্রীতি বলে ধারণা করছেন।

সংশ্লি­ষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গত ৬ মে থেকে শুরু হওয়া এ পরীক্ষা আজ বৃহস্পতিবার পর্যন্ত চলার কথা। জানা যায়, সবগুলো বিভাগ মিলে প্রায় দেড়শো জন শিশু শিল্পী কণ্ঠস্বর পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে। অভিযোগ রয়েছে, সংগীত বিভাগের  বিচারকরা তাদের ছাত্র-ছাত্রীদেরই কণ্ঠস্বর পরীক্ষা নিচ্ছেন। এ সকল ছাত্র-ছাত্রীকে উত্তীর্ণ করার জন্যই আঞ্চলিক পরিচালক সংশি­ষ্ট বিচারকের মাধ্যমে অনৈতিক সুবিধা নিচ্ছেন। এজন্য নির্ধারিত বিষয়গুলোর দক্ষ ব্যক্তিকে বোর্ডে না রেখে শুধুমাত্র সংগীত বিভাগের কয়েকজনকে দিয়েই লোকদেখানো এই কণ্ঠস্বর পরীক্ষার ব্যবস্থা করেছেন তিনি।

এ বিষয়ে আঞ্চলিক পরিচালকের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। বিষয়টি নিয়ে বেতার নাট্যকার-নাট্যশিল্পী সংসদ (বেনানাশিস) রংপুর অঞ্চলের সভাপতি কাজী মোঃ জুন্নুনের সাথে কথা বলা হলে তিনি জানান এ রকম একটি অভিযোগ পেয়ে তিনি পরীক্ষা চলাকালীন সরেজমিনে বেতারে গিয়েছিলেন। সেখানে সংগীত বিভাগ ছাড়া অন্য কোন বিভাগের বিচারককে দেখতে পান নি। তিনি বলেন, বিষয়টি বেতারের নাট্যকার-নাট্যশিল্পী-নাট্য প্রয়োজকদের জন্য অসম্মানজনক। অভিজ্ঞ মহল মনে করছেন শিল্প-সাহিত্য-সংস্কৃতি চর্চার অন্যতম মাধ্যম বেতারে এরকম অব্যবস্থাপনা দীর্ঘদিন চলতে থাকলে প্রকৃত শিল্পীরা বঞ্চিত হতেই থাকবে। বিষয়টি তদন্ত করে সঠিক ও দক্ষ বিচারক নিয়োগ করে কণ্ঠস্বর পরীক্ষা আবারও গ্রহণের জন্য অভিভাবকেরা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নিকট দাবী জানিয়েছেন।
CommentAdd Your Comment
শীর্ষ সংবাদ


প্রচ্ছদ | ৬৪ জেলার সংবাদ | রেডিও সংবাদ| গুরুত্বপূর্ণ ওয়েবসাইট